দন্ডকারণ্য, মরিচঝাঁপি ও আমার বিদ্যালয়

দেশভাগের বেদনাদায়ক ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কময় অধ্যায় মরিচঝাঁপি। দীর্ঘকাল ধরে অন্যতম উপেক্ষিত পর্বও বটে। ১৯৭৮-৭৯ সালে সুন্দরবনের দুর্গম জনহীন দ্বীপ মরিচঝাঁপিতে দন্ডকারণ্য থেকে আসা উদ্বাস্তুদের বসতি গড়ার চেষ্টা এবং পূর্বপ্রতিশ্রুতি ভেঙে সরকারের তরফে বিরোধিতা ও উদ্বাস্তু-উৎখাতের ঘটনাকে ঘিরে মরিচঝাঁপির বৃত্তান্ত।


উদ্বাস্তু মানুষের লড়াইয়ের ইতিহাস ধরে রাখতে বাঙালনামা দায়বদ্ধ। ইতিপূর্বে (প্রথম বর্ষের প্রথম, দ্বিতীয় ও চতুর্থ সংখ্যায়) আমরা মরিচঝাঁপির বর্বরতার ইতিহাসে আলো ফেলে দেখেছি। বর্তমান সংখ্যায় তুষার ভট্টাচার্য সম্পাদিত সংকলনগ্রন্থ ‘অপ্রকাশিত মরিচঝাঁপি’ থেকে কয়েকটি ঐতিহাসিক দলিল ও প্রবন্ধ বাঙালনামায় প্রকাশ করা হল। পুনঃপ্রকাশের অনুমতি দেওয়ার জন্য আমরা তুষার ভট্টাচার্যের কাছে কৃতজ্ঞ।


বর্তমান প্রবন্ধে মরিচঝঁাপিতে উদ্বাস্তু মানুষদের শ্রম দিয়ে তৈরী স্কুলের প্রধান শিক্ষক নির্মলেন্দু ঢালি দন্ডকারণ্যের মানা ক্যাম্প থেকে মরিচঝাঁপিতে তাঁদের আসা ও বসতি নির্মাণ এবং তারপর সেখান থেকে সরকার কর্তৃক তাঁদের উৎখাতের প্রত্যক্ষ বিবরণ দিয়েছেন। সাক্ষাৎকারের আকারে লেখা এই প্রবন্ধটি বারবার উদ্বাস্তু হওয়া মরিচঝাঁপির শরণার্থীদের অভিজ্ঞতার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনায় সমৃদ্ধ। – সম্পাদক, বাঙালনামা।
_________________________________________________________________

বাকি অংশটি এখানে পডু়ন…